Popunder-1

Saturday, January 24, 2026

শনিবার ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না । জেনে নিন প্রভাবিত এলাকাগুলো

সিলেট নগরীর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় শনিবার (২৪ জানুয়ারি) টানা ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। ট্রান্সফরমার মেরামত এবং সঞ্চালন লাইনের উন্নয়নকাজের জন্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো)।

ছবি


​বিউবো বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-৩ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংস্কারকাজের সুবিধার্থে শনিবার সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নির্দিষ্ট কিছু ফিডারের অধীনে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হবে।

​বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকাঃ

​১১ কেভি পুলিশ লাইন ও ইন্ডাস্ট্রি ফিডারের আওতায় থাকা নিচের এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ থাকবে না:

  • ​রেলওয়ে স্টেশন, কদমতলী ও গোটাটিকর।
  • ​আলমপুর, বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় ও ডিআইজি অফিস।
  • ​বিসিক শিল্প এলাকা ও বাইপাস রোড।
  • ​দক্ষিণ সুরমা থানা, পিরিজপুর ও চন্ডিপুল।
  • ​গহরপুর, নর্থইস্ট মেডিকেল কলেজ ও বঙ্গবীর রোড।
  • ​বলদি, তেঁতুলতলা, লতিপুর ও বানেশ্বরপুর।
  • ​দারোগা বাড়ি, লালারচক, খিদিরপুর ও আহমেদপুর।
  • ​তেলিবাজার, তেঁতলি, আতিরবাড়ী, লক্ষ্মীপুর এবং এর আশপাশের এলাকা।

​গুরুত্বপূর্ণ নোটঃ

  • ​দ্রুত সরবরাহ: যদি নির্ধারিত সময়ের আগে কাজ শেষ হয়ে যায়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হবে।
  • ​কর্তৃপক্ষের বক্তব্য: সাময়িক এই অসুবিধার জন্য সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-৩ গ্রাহকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে।

Tuesday, January 20, 2026

নতুন বাংলাদেশ গড়তে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

নতুন বাংলাদেশ গড়তে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোটে দেশের নাগরিকদের ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই আহ্বান জানান।

Image


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বৈষম্য, শোষণ ও নিপীড়নমুক্ত একটি ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যেই এই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি এই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে জনগণের মতামত নেওয়া হবে।

‘জুলাই সনদ’-এর মূল বৈশিষ্ট্য ও প্রস্তাবসমূহ:

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই সনদ তৈরি করা হয়েছে। এতে যেসব গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে, সেগুলো হলো:

 * ক্ষমতার ভারসাম্য: প্রধানমন্ত্রী এককভাবে সব ক্ষমতার অধিকারী হবেন না এবং কোনো ব্যক্তি ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।

 * সংসদীয় সংস্কার: সংসদে উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে এবং বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হবেন।

 * তত্ত্বাবধায়ক সরকার: নির্বাচন কমিশন গঠন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সরকার ও বিরোধী দল একযোগে কাজ করবে।

 * সংবিধান ও বিচারব্যবস্থা: সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের জন্য জনগণের সরাসরি সম্মতি নিতে হবে এবং বিচারব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করবে।

 * অধিকার ও বৈচিত্র্য: মানুষের মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। রাষ্ট্রভাষা বাংলার পাশাপাশি অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে।

 * রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা: দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীদের ক্ষমা করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির একক ক্ষমতা সীমিত করা হবে।

 * নারীদের অংশগ্রহণ: জাতীয় সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি করা হবে।

জনগণের প্রতি আহ্বান:

অধ্যাপক ইউনূস তাঁর বার্তায় বলেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান আমাদের জাতির জীবনে গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার এক অভূতপূর্ব সুযোগ এনে দিয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্র সংস্কার করতে আপনাদের সম্মতি প্রয়োজন। ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার মাধ্যমে শোষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার চাবি এখন আপনাদের হাতে।”

তিনি নিজে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি পরিচিত সবাইকে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে এসে দেশের ভাগ্য পরিবর্তনে অংশ নেওয়ার অনুরোধ জানান।